আপনার হুরুব আছে কিনা চেক করুন

এবার ভ্যাট দিল আমাজন ইন বাংলাদেশ

 ফেসবুক ও গুগলের পর বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো ভ্যাট দিল বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় ই–কমার্স জায়ান্ট আমাজন।




বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট)  প্রথমবারের মতো মাসিক রিটার্ন জমা দিয়ে সরকারি কোষাগারে প্রায় ৫৩ লাখ টাকা মূল্য সংযোজন কর (মূসক) বা ভ্যাট দিল আমাজন। 

ফেসবুক ও গুগলের পর তৃতীয় অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারে ভ্যাট দিল এই বৈশ্বিক জায়ান্ট।

আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন নামে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট অফিসে প্রতিষ্ঠানটির ভ্যাট নিবন্ধন রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সোনালী ব্যাংকের মাধ্যমে ৫২ লাখ ৯৭ হাজার ৭৮০ টাকা ভ্যাট জমা দিয়েছে আমাজন ওয়েব সার্ভিসেস ইনকরপোরেশন। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিয়েছে প্রাইস ওয়াটার হাউসকুপারস বাংলাদেশ।

আমাজন জানিয়েছে, তারা যে সেবা বাংলাদেশে সরবরাহ করেছে তার মূল্য ছিল ৩ কোটি ৫২ লাখ ২০ হাজার টাকা।

এর আগে গত জুলাই  মাসে প্রথমবারের মতো কোনো অনাবাসী প্রতিষ্ঠান হিসেবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক ভ্যাট রিটার্ন দিয়ে ২ কোটি ৪৪ লাখ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দিয়েছিল। চলতি মাসেই জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন গুগল ২ কোটি ২৯ লাখ টাকা ভ্যাট দিয়েছে।




অনাবাসী প্রতিষ্ঠানগুলো (যাদের এ দেশে স্থায়ী কার্যালয় নেই) এ দেশে বিজ্ঞাপন প্রচারসহ নিজেদের নানা ধরনের সেবা দিয়ে থাকে। এসব সেবা নিয়ে গ্রাহকেরা ক্রেডিট কার্ড বা অন্য কোনো উপায়ে ব্যাংকের মাধ্যমে অর্থ পরিশোধ করে থাকে। তখন ব্যাংক কর্তৃপক্ষ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ১৫ শতাংশ ভ্যাট কেটে রাখেন। ভ্যাট কেটে না রাখলে বাংলাদেশ ব্যাংক বিদেশে ওই প্রতিষ্ঠানের অর্থ পাঠানোর অনুমতি দেয় না। ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ার ফলে প্রতিষ্ঠান কত টাকার সেবা বিক্রি করেছে, সেই তথ্যসহ যাবতীয় আয়-ব্যয়ের তথ্য জানিয়ে ভ্যাট রিটার্ন দিতে হবে।

উল্লেখ্য বাংলাদেশে ব্যবসা করার জন্য গত মে মাসে বিজনেস আইডেন্টিফিকেশন নম্বর (বিআইএন) নেয় টেক-জায়ান্ট প্রতিষ্ঠান গুগল ও আমাজন।

এনবিআর সূত্র জানায়, ঢাকা দক্ষিণ ভ্যাট কমিশনারেট থেকে তারা এই নিবন্ধন নেয়। গুগল ২৩ মে এবং ২৭ মে আমাজন ভ্যাট নিবন্ধন পেয়েছে।

ভ্যাট নিবন্ধন নেওয়ায় এখন থেকে তারা বাংলাদেশে ভ্যাট রিটার্ন দাখিল করবে একইসঙ্গে ভ্যাটের টাকা নিয়মিত পরিশোধ করবে।

বাংলাদেশে গুগল, ফেসবুক, আমাজন, নেটফ্লিক্সসহ কয়েকটি বহুজাতিক টেক প্রতিষ্ঠান বছরে কয়েক হাজার কোটি টাকার ব্যবসা করে বলে অনেকদিন থেকেই এমন তথ্য দিয়ে আসছিল এনবিআর। পর্যায়ক্রমে এসব প্রতিষ্ঠানকে ভ্যাটের আওতায় আনার উদ্যোগ নেয় সংস্থাটি। এখাত থেকে বছরে বড় অংকের রাজস্ব আদায় হবে বলে আশা করে এনবিআর।

Source Somoynews

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

নবীনতর পূর্বতন

نموذج الاتصال